• ঢাকা
  • শনিবার, ০৫ এপ্রিল, ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১

শরীয়তপুরে জমি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে সন্ত্রাসী হামলা


FavIcon
নুরুজ্জামান শেখ, শরীয়তপুরঃ
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৭, ২০২৪, ১২:১৭ পিএম
শরীয়তপুরে জমি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে সন্ত্রাসী হামলা

শরীয়তপুর সদর উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের সন্তোষপুর গ্রামে দীর্ঘদিন যাবত জমি  নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে  হত্যার উদ্দেশ্যে ঢালীবাড়ির ১০ থেকে ১২ জন নারীসহ সন্ত্রাসী কায়দায় খান বাড়ির বসতবাড়িতে বেআইনিভাবে প্রবেশ করে অতর্কিতভাবে সন্ত্রাসী হামলা চালায়।ওই হামলায় নারীসহ খান বাড়ির সাতজন গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়।আহত ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা অত্যন্ত গুরুতর। গত ৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটার দিকে (শুক্রবার) চন্দ্রপুর ইউনিয়নের সন্তোষপুর গ্রামে খান বাড়ির সদস্যদের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে।সরজমিন ঘুরে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,সন্তোষপুর গ্রামের উভয়ই প্রতিবেশী খানবাড়ি ও ঢালী বাড়ির দুই পরিবারের মধ্যে জমি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত মামলা মোকদ্দমারসহ দ্বন্দ্ব চলিতেছে।এই জমি নিয়ে খান বাড়ির লোকজন ১৮ সালে শরীয়তপুর দেওয়ানী আদালতে মামলা করে রায় পায়।ঢালী বাড়ির লোকজন আদালত এই রায় কে  অস্বীকার করে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে।উভয় পরিবারকে বড় ধরনের ক্ষতির হাত থেকে বাঁচাতে চন্দ্রপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সালাম খান সালিশি বসিয়ে উভয় পরিবারকে একটি সমাধানের সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন।চেয়ারম্যান সালাম খানের সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে ঢালী বাড়ির লোকজন পুনরায় দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে।জমি দখল করার উদ্দেশ্যে  ঢালিবাড়ি লোকজন দেশীয় ধারালো রামদা, সেনদা, লোহার রোড, লাঠি সোটা নিয়ে জনতা বদ্ধে থান বাড়িতে ঢুকে অতর্কিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে খান বাড়ির বৃদ্ধ বয়স্ক নারী পুরুষের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে গুরুতরভাবে রক্তাক্ত জখম করে।আহত ব্যক্তিদের ডাক  চিৎকারের শব্দ শুনে আশেপাশের স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এসে গুরুতর রক্তাক্ত জখম অবস্থায় আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়।হাসপাতালের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত  ডাক্তার রক্তাক্ত জখম অবস্থায় ৭ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়।আহত ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা অত্যন্ত গুরুতরও আশঙ্কা জনক হওয়ায় ডাক্তার তাদেরকে ঢাকা মেডিকেলে রেফার করেন।পপি নামে এক নারী আহত অবস্থায় সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।গুরুতর আহত ব্যক্তিরা হলেন  মোহাম্মদ আবু আলেম খান(৬০),আব্দুর রহমান খান (৭০),সেলিম খান (৪৫),রেহানা (৪০),সালেহা বেগম (৫০),রেশমা আক্তার(৪৫)।ভুক্তভোগী পরিবার এক নারী গণমাধ্যমকে  বলেন,জমি দখল করার উদ্দেশ্যে ঢালী বাড়ির সন্ত্রাসী লোকজন আমাগো পরিবারের লোকজনের উপর আমাগো বাড়িতে ঢুকে অতর্কিতভাবে সন্ত্রাসী  হামলা চালায়।আমাগো পরিবারের দুইজনের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ যেকোনো সময়  কিছু ঘটতে পারে।আমরা এই সন্ত্রাসীদের বিচার চাই।পালং থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হেলাল উদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, মারামারির ঘটনা বিষয়টি আপনার মাধ্যমে শুনলাম।আমার কাছে কেউ আসে নাই।কেউ যদি অভিযোগ দেয় অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


Side banner
Link copied!